সূত্রের খবর, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এবারের ভোটের দফা সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত কয়েকটি নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক দফায় ভোট হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই কমিশন বিস্তারিত পরিকল্পনা করেছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও ঠিক কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে কেউ বলছেন পাঁচ থেকে ছয় দফা, আবার কেউ মনে করছেন আরও বেশি দফাতেও ভোট হতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতি, বিপুল ভোটার সংখ্যা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মাথায় রেখেই দফা ভাগ করা হয়। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকা ও সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিশ্চিত করতে বহু দফায় ভোট করানো হয়। এর ফলে প্রশাসনের পক্ষে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হয় বলেই মত কমিশনের।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। ভোটার তালিকা সংশোধন, বুথ পরিকাঠামো তৈরি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কমিশনের ঘোষণা হলেই কার্যকর হবে আদর্শ আচরণবিধি। তখন থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে বেশ কিছু বিধিনিষেধও লাগু হবে।
রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যেই নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই, কর্মীসভা এবং প্রচার কৌশল নিয়ে জোর তৎপরতা চলছে। আজকের ঘোষণার পরেই সেই প্রস্তুতি আরও গতি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ফলে এখন সবার চোখ নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার দিকে। আজকের সাংবাদিক বৈঠকেই স্পষ্ট হয়ে যাবে—কবে থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ, কত দফায় হবে নির্বাচন এবং কবে প্রকাশিত হবে ফলাফল। বাংলার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে এই ঘোষণাই।