মুখ্য সমাচার :
পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতায় চাপে ভারতীয় মুদ্রা, ডলারের সামনে টাকার বড় পতন! খোলার ঘণ্টাতেই রক্তক্ষয়ী ধস, ২০০০ পয়েন্ট ভেঙে পড়ল সেনসেক্স—আতঙ্কে কাঁপছে গোটা শেয়ারবাজার, লালে ঢাকল সব সূচক নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের আবেগঘন বিদায়, ‘সকলকে ক্ষমা করো’ ভিডিও ভাইরাল ছোট বিনিয়োগে বড় লাভ, মাসে ১,০০০ টাকার SIP-এ ১০ বছরে কত টাকা পাবেন? পূর্ব দিকের সূর্যালোকেই বাড়িতে আসে শুভ শক্তি, বলছে বাস্তুশাস্ত্র

EXCLUSIVE: “বাংলার মেয়েরা মোদির বোন”—প্রার্থী হয়েই আবেগঘন বার্তায় ভোটের লড়াইয়ের ডাক পাপিয়া অধিকারীর

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় নাম ঘোষণার পরই বিস্ফোরক ও আবেগঘন মন্তব্য করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেন Papia Adhikari। নিজের প্রথম প্রতিক্রিয়াতেই তিনি সরাসরি Narendra Modi-র প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বাংলার মেয়েরা নরেন্দ্র মোদির বোন, আর সেই সম্পর্কের সম্মান রক্ষা করতেই আমি এই লড়াইয়ে নেমেছি”—এই এক মন্তব্যেই ভোটের আগে আবেগের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রার্থী হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পাপিয়া অধিকারী আরও বলেন, এই নির্বাচন তাঁর কাছে শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং বাংলার মা-বোনেদের সম্মান, নিরাপত্তা এবং অধিকারের প্রশ্নে একটি বড় লড়াই। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে একাধিক ঘটনায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে, আর সেই কারণেই সাধারণ মানুষের দাবি ও ক্ষোভকে সামনে রেখেই তিনি ভোটের ময়দানে নেমেছেন।
Pressman
20 March, 2026
তিনি স্পষ্ট ভাষায় রাজ্যের শাসক দলকে নিশানা করে বলেন, “দিদির রাজ্যে আজ মহিলারা নিরাপদ নন—এই অভিযোগ এখন ঘরে ঘরে। সেই জায়গা থেকেই পরিবর্তনের দাবি উঠছে।” যদিও তাঁর এই মন্তব্যকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। শাসক শিবিরের একাংশের দাবি, নির্বাচনের আগে আবেগ উস্কে দিয়ে ভোট টানার কৌশল হিসেবেই এই ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মহিলাদের ভোটব্যাঙ্ককে টার্গেট করেই বিজেপি এবার বিশেষ কৌশল নিয়েছে, আর সেই কৌশলের অন্যতম মুখ হতে পারেন পাপিয়া অধিকারী। গ্রামবাংলা থেকে শহর—সব জায়গাতেই মহিলাদের কাছে পৌঁছতে এই ‘সম্পর্কের রাজনীতি’ বড় ভূমিকা নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে Narendra Modi-র জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে আবেগের সংযোগ তৈরি করার চেষ্টা স্পষ্ট বলেই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
ইতিমধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। সমর্থকদের একাংশ এই বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, এটি বাংলার মেয়েদের সম্মান রক্ষার এক শক্ত বার্তা। অন্যদিকে বিরোধীরা একে ‘রাজনৈতিক নাটক’ বলেই উড়িয়ে দিচ্ছে এবং বাস্তব সমস্যার থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা বলে দাবি করছে।
ভোটের আগে এই মন্তব্য যে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ আরও বাড়িয়ে দেবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন নজর থাকবে, পাপিয়া অধিকারীর এই আবেগঘন বার্তা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কতটা সাড়া ফেলে এবং তা শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
Follow Us ই-পেপার