দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত, এবারের নির্বাচনে বড়সড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে নেতৃত্ব। অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি কাটাতে এবং নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করতে একাধিক পুরনো মুখকে সরিয়ে নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের জেরেই পার্থ ও মানিকের মতো অভিজ্ঞদের নাম বাদ পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পার্থ দীর্ঘদিন ধরে নিজের এলাকায় শক্ত ঘাঁটি তৈরি করেছিলেন। টানা পাঁচবার জয়ী হওয়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে কিছু অসন্তোষের অভিযোগ উঠেছিল বলে শোনা যায়। অন্যদিকে মানিকও সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, বিশেষ করে শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তবুও শেষ পর্যন্ত তাঁকেও টিকিট দেওয়া হল না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত দলের ভেতরে বার্তা দিচ্ছে যে শুধুমাত্র অতীতের সাফল্য নয়, বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা এবং সংগঠনের প্রতি সক্রিয় ভূমিকা—এই দুই বিষয়ই এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে এর ফলে কিছু ক্ষেত্রে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিরোধীরা ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে কটাক্ষ শুরু করেছে। তাদের দাবি, দলের অন্দরেই অসন্তোষ বাড়ছে এবং টিকিট বণ্টনে সেই প্রভাব পড়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, সম্পূর্ণ কৌশলগত ভাবনাচিন্তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, টিকিট বণ্টনের এই সিদ্ধান্ত যে নির্বাচনের আগে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে, তা স্পষ্ট। এখন দেখার, এই পরিবর্তন ভোটের ময়দানে কতটা প্রভাব ফেলে এবং বাদ পড়া নেতারা পরবর্তী সময়ে কী ভূমিকা নেন।