দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, প্রতিটি বুথে শক্তিশালী কমিটি গঠন, ভোটের দিন এজেন্ট নিয়োগ থেকে শুরু করে মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট—সব কিছুতেই নিজে নজর রাখছেন দিলীপ মণ্ডল, যাতে কোনও ফাঁকফোকর না থাকে। গ্রামাঞ্চলে রাস্তা, পানীয় জল, আবাসন ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরা হচ্ছে, অন্যদিকে শহরাঞ্চলে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং পরিষেবার উন্নতির কথা সামনে রেখে প্রচার চালানো হচ্ছে। বিরোধীদের অভিযোগ ও আক্রমণের জবাব দিতেও তৈরি আলাদা টিম, যারা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে মাঠের লড়াই—সব জায়গাতেই পাল্টা বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।
অন্যদিকে বিরোধী শিবিরও এই আসনকে মর্যাদার লড়াই হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়েছে, ফলে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ তীব্র আকার নিচ্ছে, সভা-মিছিল থেকে শুরু করে কটাক্ষ, অভিযোগ—সব মিলিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে গোটা এলাকা; তবে তৃণমূলের অন্দরে আত্মবিশ্বাসে ভাটা নেই, তাদের দাবি, উন্নয়নমূলক কাজ, মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ এবং শক্তিশালী সংগঠনই শেষ পর্যন্ত জয়ের রাস্তা দেখাবে।
সব মিলিয়ে অভিষেকের গড়ে এই হাইভোল্টেজ নির্বাচন এখন রাজ্যের অন্যতম নজরকাড়া রাজনৈতিক লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপই হিসেব কষে নেওয়া হচ্ছে, আর সেই লড়াইয়ের কেন্দ্রে রয়েছেন দিলীপ মণ্ডল—যাকে ঘিরেই গড়ে উঠছে ‘পঞ্চম’ জয়ের অঙ্ক; এখন দেখার, শেষ ল্যাপের এই তীব্র লড়াইয়ে অভিজ্ঞতার বাজি জেতে, নাকি বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ তৈরি করে নতুন সমীকরণ—উত্তরের অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ ভোটার, সকলের নজর এখন এই আসনের দিকেই।