‘অফিসার নয়, নেতারাই ভোট জেতায়’—এই বার্তাই স্পষ্টভাবে তুলে ধরে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন Omar Abdullah, আর সেই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে Mamata Banerjee-র ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে; দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোটের আগে প্রশাসনিক ভূমিকা বনাম রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুরুত্ব নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, ঠিক তখনই ওমরের এই মন্তব্য কার্যত রাজনৈতিক মহলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, তিনি ইঙ্গিত দেন যে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কড়াকড়ি বা অফিসারদের বদলি করে নয়, মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ, জনভিত্তি ও নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতাই শেষ পর্যন্ত ভোটের ফল নির্ধারণ করে, আর সেই জায়গাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেত্রী এগিয়ে রয়েছেন বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের; বাংলার সাম্প্রতিক নির্বাচনী পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ওমর বলেন, যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেস গ্রাসরুট স্তরে নিজেদের সংগঠনকে শক্তিশালী করেছে এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রেখেছে, তাতে নেতৃত্বের ভূমিকা অনেক বেশি প্রভাব ফেলেছে, শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা দিয়ে ভোটে জেতা সম্ভব নয়—এই বার্তাই যেন আরও একবার স্পষ্ট করলেন তিনি; একই সঙ্গে এই মন্তব্যে পরোক্ষে নির্বাচন কমিশনের নানা পদক্ষেপ, যেমন অফিসার বদলি বা কড়া নজরদারির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, যদিও নির্বাচন কমিশন সবসময়ই নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দাবি করে এসেছে; রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, ওমরের এই মন্তব্য আসলে বাংলার বর্তমান শাসক দলের প্রতি এক ধরনের সমর্থনের ইঙ্গিত,
আবার বিরোধীরা এটিকে কটাক্ষ হিসেবেও দেখছে, সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে, আর তার মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ ফলাফল নিয়ে জল্পনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।