ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দাবি, ধৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, তারা দেশের সংবেদনশীল সামরিক ঘাঁটি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সম্পর্কিত তথ্য বাইরে পাচার করছিলেন। সেই তথ্য সরাসরি Israel-এর গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছাচ্ছিল বলে অভিযোগ।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ের কয়েকটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনার পর থেকেই সন্দেহের ভিত্তিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সেই নজরদারির জেরেই এই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপরই দেশের বিভিন্ন প্রদেশে একযোগে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ইরানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গোটা চক্রে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও গ্রেপ্তার হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
এই ঘটনার পর ইরান সরকার দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা চলছে। ফলে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ নতুন কিছু নয়, তবে এত সংখ্যক গ্রেপ্তার ঘটনাটিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
সব মিলিয়ে, গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে ২০ জনের গ্রেপ্তার মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তদন্ত এগোলে এই ঘটনার পেছনের আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।