মুখ্য সমাচার :
নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের আবেগঘন বিদায়, ‘সকলকে ক্ষমা করো’ ভিডিও ভাইরাল ছোট বিনিয়োগে বড় লাভ, মাসে ১,০০০ টাকার SIP-এ ১০ বছরে কত টাকা পাবেন? পূর্ব দিকের সূর্যালোকেই বাড়িতে আসে শুভ শক্তি, বলছে বাস্তুশাস্ত্র বাজারে চরম হতাশার দিন শেষ! কবে থেকে ঘুরতে পারে শেয়ারবাজার, আশার বার্তা বিশেষজ্ঞদের রাম নবমী নিয়ে বিভ্রান্তি, ২৬ না ২৭ মার্চ—পঞ্জিকায় কোন দিন নির্ধারিত?

হুঁশিয়ারির পরেই পাল্টা আঘাত! আমিরশাহির তৈলভান্ডারে ইরানের হামলা ঘিরে চাঞ্চল্য

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও এক ধাপ বাড়ল। খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার জেরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাল ইরান। সতর্কবার্তা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একটি গুরুত্বপূর্ণ তৈলভান্ডারে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে গোটা অঞ্চলে।
Pressman
15 March, 2026

ইরানের সরকারি সূত্রে সরাসরি হামলার দায় স্বীকার করা না হলেও, দেশটির সামরিক ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি—মার্কিন পদক্ষেপের জবাব দিতেই এই পাল্টা আঘাত। খার্গ দ্বীপে হামলার পরেই ইরান কড়া ভাষায় সতর্ক করেছিল যে, তাদের স্বার্থে আঘাত এলে তার “কঠোর প্রতিশোধ” নেওয়া হবে। সেই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমিরশাহির উপকূল সংলগ্ন একটি বৃহৎ তেল সংরক্ষণ কেন্দ্রে বিস্ফোরণের খবর সামনে আসে।
স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ভোররাতের দিকে পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এরপরই তৈলভান্ডার এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। প্রাথমিকভাবে কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যদিও হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সরকারের পক্ষ থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোর উপর এই হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র ও উপকূলবর্তী শিল্পাঞ্চলগুলিতে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহলেও এই ঘটনার পর উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খার্গ দ্বীপে হামলা এবং তার পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ফলে গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত আরও বাড়তে পারে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দামের উপরও বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় কূটনৈতিক মহলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, যদি দ্রুত উত্তেজনা প্রশমিত না করা যায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন নজর আন্তর্জাতিক শক্তিগুলির কূটনৈতিক উদ্যোগের দিকে।
Follow Us ই-পেপার