সূত্রের খবর, তেহরানের একটি সুরক্ষিত এলাকায় গভীর রাতে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে হামলার খবর। যদিও ইরানের সরকারি সূত্রে প্রথমে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে পরে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে মৃত্যুর খবর প্রকাশ পায়।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা মহলের ঘনিষ্ঠ সূত্র দাবি করেছে, বহুদিন ধরেই ওই ব্যক্তির গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এই লক্ষ্যভেদী অভিযান চালানো হয়। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইহুদিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলার ছক কষছিল ওই ব্যক্তি।
এই ঘটনার পর থেকেই ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যাপক কড়াকড়ি করা হয়েছে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইরানের প্রশাসন।
অন্যদিকে, পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে, তার মধ্যেই এমন ঘটনার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
যদিও ইসরায়েলের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবুও আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন তেহরানের দিকে। এই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয় এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে এর কী প্রভাব পড়ে, সেটাই এখন দেখার।