ভট্টাচার্য নির্বাচনী কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে “অসাংবিধানিক” আখ্যায়িত করেছেন। তার মতে, ভোটের আগে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তা নির্বাচনের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সীমিত করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভোটের সময় সাধারণ মানুষের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানও সীমিত করার প্রচেষ্টা স্বাভাবিক ভোটাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকারকে প্রভাবিত করছে।
তিনি আরও বলেন, “বাংলার মানুষ সবসময় ভোটকে উদযাপনের মতো দেখেছে। সঙ্গীত, শিল্প ও সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষ ভোটের গুরুত্ব অনুভব করে। কিন্তু কমিশনের সিদ্ধান্ত তা প্রায় হ্রাস করছে। এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক নয়, সাংবিধানিক দিক থেকেও উদ্বেগজনক।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটের সময় আইন ও নিয়মের সঠিক প্রয়োগ প্রয়োজন হলেও, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতাকে দমন করা উচিত নয়। ভট্টাচার্যের মন্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, বিশেষত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাগরিক অধিকার নিয়ে।
সংক্ষেপে, পশ্চিমবঙ্গের ভোটকে ঘিরে বিকাশ ভট্টাচার্যের মন্তব্য নির্বাচনী কমিশনের সিদ্ধান্তকে বিতর্কিত করেছে। তার তীক্ষ্ণ সমালোচনা নতুনভাবে আলোচনার সূচনা করেছে—কীভাবে ভোটের প্রক্রিয়া, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সমন্বিত রাখা যায়, তা এবার রাজনৈতিক এবং সামাজিক পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।