মুখ্য সমাচার :
নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের আবেগঘন বিদায়, ‘সকলকে ক্ষমা করো’ ভিডিও ভাইরাল ছোট বিনিয়োগে বড় লাভ, মাসে ১,০০০ টাকার SIP-এ ১০ বছরে কত টাকা পাবেন? পূর্ব দিকের সূর্যালোকেই বাড়িতে আসে শুভ শক্তি, বলছে বাস্তুশাস্ত্র বাজারে চরম হতাশার দিন শেষ! কবে থেকে ঘুরতে পারে শেয়ারবাজার, আশার বার্তা বিশেষজ্ঞদের রাম নবমী নিয়ে বিভ্রান্তি, ২৬ না ২৭ মার্চ—পঞ্জিকায় কোন দিন নির্ধারিত?

ভোটের দিন ঘোষণা হতেই বড় ধাক্কা প্রশাসনে, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরাল নির্বাচন কমিশন

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিল Election Commission of India। ভোটের সূচি ঘোষণার পরপরই রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বাংলার নির্বাচনী ইতিহাসে এমন সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিরল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন চলাকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কমিশন। সেই কারণেই রাজ্যের দুই শীর্ষ প্রশাসনিক পদে পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Pressman
16 March, 2026



সূত্রের খবর, কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী অবিলম্বে নতুন মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব নিয়োগ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। পাশাপাশি নির্বাচন চলাকালীন প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কড়া নজরদারির কথাও বলা হয়েছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। কমিশনের এই পদক্ষেপ সেই অভিযোগকেই আরও জোরালো করেছে। অন্যদিকে শাসকদলের তরফে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো হবে এবং আইন মেনেই সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের সরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা। সাধারণত ভোটের আগে বা মাঝামাঝি সময়ে প্রশাসনিক বদলি দেখা যায়, কিন্তু একসঙ্গে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দেওয়ার নজির খুবই কম।
এদিকে নির্বাচন ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে। ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এখন নজর থাকবে রাজ্য সরকার কত দ্রুত নতুন প্রশাসনিক নিয়োগ করে এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়।
Follow Us ই-পেপার