ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এই ঘটনার কথা শুনে তিনি নাকি “খুশি” হয়েছেন এবং আনন্দে নাকি বাড়তি মিষ্টিও খেয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, এমন মন্তব্য রাজনৈতিক সৌজন্যের সীমা লঙ্ঘন করেছে।
অন্যদিকে বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, দিলীপ ঘোষ তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। তাঁদের দাবি, রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে দলের একাংশের দাবি।
এদিকে শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কীভাবে এবং কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজ্যের শাসক দলও এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিদ্বেষ থেকেই এই ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করতে পারে। অন্যদিকে বিরোধীরা দাবি করছে, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
সব মিলিয়ে শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। তারই মধ্যে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের।