রেল সূত্রে জানা গেছে, ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত স্টেশনগুলিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে নতুনভাবে সাজানো হবে। যাত্রীদের জন্য উন্নত অপেক্ষাকক্ষ, আধুনিক টয়লেট, উন্নত প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থা এবং আরও ভালো নিরাপত্তা ব্যবস্থার মতো নানা পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি স্টেশন চত্বরের সৌন্দর্যায়ন এবং সহজ যাতায়াতের ব্যবস্থাও করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশের রেল ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সেই উদ্দেশ্যেই ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে দেশের বহু স্টেশনকে আধুনিক রূপ দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এই প্রকল্প শুধু রেল পরিষেবাই উন্নত করবে না, স্থানীয় অর্থনীতিকেও চাঙ্গা করবে।
রেল মন্ত্রকের মতে, স্টেশনগুলির উন্নয়নের ফলে স্থানীয় ব্যবসা, পর্যটন এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও আরামদায়ক হবে বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে এই প্রকল্প ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচনের মুখে বাংলায় এসে এই ধরনের প্রকল্প উদ্বোধন আসলে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ারই চেষ্টা। যদিও কেন্দ্রের দাবি, রেল উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই।
সব মিলিয়ে ভোটের আবহে বাংলায় রেল উন্নয়নের এই ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। আগামী দিনে এই প্রকল্প কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই এখন নজর সাধারণ মানুষের।