শাহ দাবি করেন, মোদীর সভায় যে বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে, তা শুধু একটি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, বরং মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং স্থিতিশীল প্রশাসনের দাবি জানাচ্ছেন। ব্রিগেডের ময়দানে মানুষের ঢল সেই বার্তাই স্পষ্ট করে দিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ইতিমধ্যেই দেশের বহু রাজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বাংলাতেও সেই উন্নয়নের গতি বাড়াতে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে মত দিচ্ছেন বলেই তাঁর দাবি। তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ এখন এমন সরকার চান, যারা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে।
অন্যদিকে, এই সভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বিরোধী শিবিরের দাবি, বড় সভা মানেই রাজনৈতিক ফলাফল নির্ধারিত হয়ে যায় না। তাঁদের মতে, নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করে মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ভোটের দিনে তাঁদের সিদ্ধান্তের ওপর।
তবে বিজেপি নেতৃত্বের মতে, ব্রিগেডের এই সভা আগামী নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন ও সমর্থনের শক্তি প্রদর্শনের বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছে। দলের কর্মীদের মধ্যেও এই সমাবেশ নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে। এখন নজর আসন্ন নির্বাচনের দিকে—এই জনসমাবেশের প্রভাব ভোটের ফলাফলে কতটা পড়ে, সেটাই দেখার বিষয়।