বৃহৎ জনসমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং আইন নিজের কাজ করছে। তাঁর দাবি, কেউ যত বড় নেতা হোন না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। তাই ক্ষমতা থাকাকালীন কেউ যদি নিজেদের রক্ষা করতে পারেনও, ক্ষমতা হারালেই তাদের জবাবদিহি করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থেকে প্রশাসনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। কিন্তু এখন দেশের মানুষ পরিবর্তন চাইছেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের টাকা লুট করলে তার হিসাব একদিন না একদিন দিতেই হবে।
মোদীর এই মন্তব্যকে ঘিরে সভামঞ্চে উপস্থিত সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বারবার স্লোগান ও হাততালিতে সভা মুখর হয়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ও স্বচ্ছ প্রশাসনের পথে এগিয়ে যেতে হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া জরুরি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে এই বক্তব্য রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ বাড়াতে পারে। বিশেষ করে ভোটের আগে এমন তীব্র ভাষণ রাজনৈতিক তরজা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
অন্যদিকে বিরোধী শিবির অবশ্য এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক কৌশল বলেই ব্যাখ্যা করেছে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক সুবিধা পেতেই এমন মন্তব্য করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা থেকে মোদীর এই বার্তা স্পষ্ট—দুর্নীতির অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে, আর ক্ষমতা হারালে অনেকেরই কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে।