মুখ্য সমাচার :
নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের আবেগঘন বিদায়, ‘সকলকে ক্ষমা করো’ ভিডিও ভাইরাল ছোট বিনিয়োগে বড় লাভ, মাসে ১,০০০ টাকার SIP-এ ১০ বছরে কত টাকা পাবেন? পূর্ব দিকের সূর্যালোকেই বাড়িতে আসে শুভ শক্তি, বলছে বাস্তুশাস্ত্র বাজারে চরম হতাশার দিন শেষ! কবে থেকে ঘুরতে পারে শেয়ারবাজার, আশার বার্তা বিশেষজ্ঞদের রাম নবমী নিয়ে বিভ্রান্তি, ২৬ না ২৭ মার্চ—পঞ্জিকায় কোন দিন নির্ধারিত?

গ্যাসের কালোবাজারি ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ, থানার বারাকে ইন্ডাকশন ও মাইক্রোওভেনে রান্নার সিদ্ধান্ত

রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে নতুন পদক্ষেপ নিল Kolkata Police। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন থানার বারাকে আর এলপিজি গ্যাসে রান্না না করে ইন্ডাকশন চুলা ও মাইক্রোওভেন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর Lalbazar থেকে ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই রান্নার গ্যাসের অবৈধ লেনদেন বা কালোবাজারির অভিযোগ সামনে আসছিল। বিশেষ করে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার হওয়ার কথা নয় এমন সিলিন্ডার অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা বিক্রির মতো ঘটনাও মাঝে মধ্যে ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে গ্যাস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতেই নতুন এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
Pressman
13 March, 2026
নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, শহরের বিভিন্ন থানায় থাকা পুলিশ কর্মীদের বারাকে ধীরে ধীরে এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে। তার পরিবর্তে ইন্ডাকশন চুলা, ইলেকট্রিক কেটলি এবং মাইক্রোওভেনের মতো বৈদ্যুতিক রান্নার সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে। এতে একদিকে যেমন গ্যাসের অপব্যবহার কমবে, তেমনি নিরাপত্তার দিক থেকেও ঝুঁকি কমবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ প্রশাসনের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শুধু কালোবাজারি রোধই নয়, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাতেও স্বচ্ছতা বাড়ানো সম্ভব হবে। প্রতিটি থানায় রান্নার জন্য নির্দিষ্ট বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করলে গ্যাস সিলিন্ডারের হিসাব রাখা বা তার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনাও কমবে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পুলিশ কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে বলে জানা গেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, বৈদ্যুতিক যন্ত্রে রান্না করা কিছুটা সময়সাপেক্ষ হতে পারে। আবার অন্যদিকে অনেকের মতে, নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করলে রান্না আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।
সব মিলিয়ে গ্যাসের কালোবাজারি ঠেকাতে কলকাতা পুলিশের এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন প্রশাসনিক মহলের একাংশ। আগামী দিনে এই সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হয় এবং অন্য সরকারি দফতরও একই পথে হাঁটে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে।
Follow Us ই-পেপার