মুখ্য সমাচার :
সতর্কবার্তা! যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদনপত্রে এই তথ্যগুলি ঠিক আছে তো? নারীর পরিচয় কি শুধু সমাজের দেওয়া নাম? নিরাপত্তার সন্ধানে নারী: শহরের আলো–ছায়ার গল্প ও আলোর পথযাত্রী গাড়ি আটকের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি সার্জেন্ট, পুলিশ মহলে চাঞ্চল্য ও জল্পনা

ধুরন্ধর না কর্পূর? বাংলা ছবির টানাপোড়েনে হলে যাওয়ার আর্জি কুণাল ঘোষের

বাংলা সিনেমাকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। একদিকে নতুন ছবি মুক্তি, অন্যদিকে দর্শকের অভাব—এই পরিস্থিতির মাঝেই বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে সরব হলেন তৃণমূল নেতা ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মতে, শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা নয়, বাংলা ছবিকে সত্যিকারের সমর্থন জানাতে হলে দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখতে হবে। সম্প্রতি দুটি বাংলা ছবিকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলনা শুরু হয়েছে—‘ধুরন্ধর’ ও ‘কর্পূর’। কোন ছবি বেশি ভালো, কোনটা বেশি দর্শক টানছে—এই নিয়ে নেটমাধ্যমে চলছে তর্ক-বিতর্ক। সেই প্রসঙ্গেই কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেন, বাংলা ছবির মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকতেই পারে, কিন্তু সেই প্রতিযোগিতা যেন ইতিবাচক হয়। তাঁর কথায়, “কে ভালো আর কে খারাপ—তা নিয়ে তর্কের আগে সবাইকে হলে গিয়ে ছবি দেখা উচিত। তবেই বোঝা যাবে ছবির প্রকৃত মূল্য।”
Pressman
08 March, 2026
কুণাল ঘোষের মতে, বর্তমানে বড় সমস্যা হল দর্শকের অভ্যাস বদলে যাওয়া। অনেকেই সিনেমা মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহে না গিয়ে অপেক্ষা করেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসার জন্য। ফলে ছবির ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রযোজক-পরিচালকেরাও নতুন ঝুঁকি নিতে পিছিয়ে যান। তিনি বলেন, “বাংলা সিনেমা নিয়ে গর্ব করতে হলে প্রথমে নিজেদেরই এগিয়ে আসতে হবে। বাংলা ছবিকে সমর্থন করতে হলে হলে গিয়ে দেখা দরকার।”
তিনি আরও বলেন, বাংলা সিনেমার ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। অতীতে বহু বাংলা ছবি শুধু রাজ্য নয়, দেশ-বিদেশেও সম্মান কুড়িয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেই ধারাকে টিকিয়ে রাখতে গেলে দর্শকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। শুধু সমালোচনা নয়, দর্শকের উপস্থিতিই একটি ছবির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল ঘোষের এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, বাংলা ছবির মান বাড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাংলা চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে দর্শকের প্রেক্ষাগৃহে ফেরার ওপর।
সব মিলিয়ে ‘ধুরন্ধর’ বনাম ‘কর্পূর’ বিতর্কের মাঝেই বাংলা সিনেমাকে বাঁচাতে এক ধরনের বার্তা দিতে চেয়েছেন কুণাল ঘোষ—তর্ক পরে, আগে হলে গিয়ে বাংলা ছবি দেখুন।
Follow Us ই-পেপার