ছবির ট্রেলারে দেখা যায় প্রতিশোধ, রাজনীতি এবং ক্ষমতার লড়াইকে ঘিরে এগিয়েছে গল্পের মূল প্লট। একাধিক চরিত্রের মধ্যে সংঘাত, ষড়যন্ত্র এবং ক্ষমতার দখলদারি নিয়ে তৈরি হয়েছে উত্তেজনাপূর্ণ আবহ। নির্মাতাদের দাবি, সমাজের অন্ধকার দিক এবং ক্ষমতার রাজনীতিকে সামনে আনতেই এই গল্প তৈরি করা হয়েছে।
ট্রেলারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশে উঠে আসে ‘বদলা’ নেওয়ার কথা। সেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, দীর্ঘদিনের অপমান ও অন্যায়ের প্রতিশোধই গল্পের কেন্দ্রবিন্দু। এই কারণেই ছবির নামের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে ‘দ্য রিভেঞ্জ’। নির্মাতারা মনে করছেন, দর্শক এই থ্রিলারধর্মী গল্পকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখবেন।
তবে ছবির সংলাপ এবং রাজনৈতিক ইঙ্গিতকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই নানা মত উঠে আসতে শুরু করেছে। অনেকেই মনে করছেন, ভোটের আবহে এমন সংলাপ বা গল্প দর্শকদের মধ্যে আলাদা কৌতূহল তৈরি করবে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, বিষয়টি বিতর্কের জন্মও দিতে পারে।
ট্রেলারে অ্যাকশন, উত্তেজনা এবং নাটকীয়তার মিশেলে তৈরি হয়েছে এক রহস্যঘেরা পরিবেশ। প্রতিশোধের গল্পের সঙ্গে রাজনীতির যোগ ছবিটিকে আরও আলোচনায় এনে দিয়েছে। পরিচালক জানিয়েছেন, ছবিটি মূলত একটি ফিকশনাল গল্প হলেও বাস্তবের কিছু ইঙ্গিত দর্শক খুঁজে পেতে পারেন।
সব মিলিয়ে ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেড়েছে। এখন দেখার, মুক্তির পর এই ছবি দর্শকদের কতটা আকর্ষণ করতে পারে এবং বিতর্কের মাঝেও বক্স অফিসে কী প্রভাব