মুখ্য সমাচার :
সতর্কবার্তা! যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদনপত্রে এই তথ্যগুলি ঠিক আছে তো? নারীর পরিচয় কি শুধু সমাজের দেওয়া নাম? নিরাপত্তার সন্ধানে নারী: শহরের আলো–ছায়ার গল্প ও আলোর পথযাত্রী গাড়ি আটকের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি সার্জেন্ট, পুলিশ মহলে চাঞ্চল্য ও জল্পনা

জর্ডনের মার্কিন ঘাঁটিতে ‘সারপ্রাইজ’ হামলা! ধ্বংস ৩০ কোটি ডলারের ডিফেন্স সিস্টেম, ইরানের দিকে অভিযোগ

মধ্যপ্রাচ্যে ফের বাড়ল উত্তেজনা। জর্ডনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আচমকা ‘সারপ্রাইজ’ হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই হামলায় প্রায় ৩০ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। ড্রোন ও রকেট হামলার মাধ্যমে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই মার্কিন সেনা ও জর্ডনের নিরাপত্তা বাহিনী ঘাঁটির আশপাশে কড়া নজরদারি শুরু করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি, তবে ওয়াশিংটনের একাধিক নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির দিকেই সন্দেহের তির ঘুরছে। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, হামলার ধরণ এবং ব্যবহৃত প্রযুক্তি দেখে মনে করা হচ্ছে এটি পরিকল্পিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণ। এই ঘটনায় কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে, যদিও তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে, হামলায় যে ডিফেন্স সিস্টেমটি ধ্বংস হয়েছে তা ছিল একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এয়ার ডিফেন্স ইউনিট, যার মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ডলার। এই সিস্টেমটি মূলত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত হত। হামলার পরই মার্কিন সেনাবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ঘাঁটিগুলিতে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করেছে এবং পরিস্থিতির উপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। ইরান অবশ্য এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে।
Pressman
07 March, 2026
তেহরানের তরফে জানানো হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই এবং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘রাজনৈতিক প্রচার’ বলেই দাবি করা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, জর্ডনের মাটিতে মার্কিন ঘাঁটিতে এই ধরনের হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। বিশেষ করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে গোটা বিশ্বের।
Follow Us ই-পেপার