মুখ্য সমাচার :
খোলার ঘণ্টাতেই রক্তক্ষয়ী ধস, ২০০০ পয়েন্ট ভেঙে পড়ল সেনসেক্স—আতঙ্কে কাঁপছে গোটা শেয়ারবাজার, লালে ঢাকল সব সূচক নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের আবেগঘন বিদায়, ‘সকলকে ক্ষমা করো’ ভিডিও ভাইরাল ছোট বিনিয়োগে বড় লাভ, মাসে ১,০০০ টাকার SIP-এ ১০ বছরে কত টাকা পাবেন? পূর্ব দিকের সূর্যালোকেই বাড়িতে আসে শুভ শক্তি, বলছে বাস্তুশাস্ত্র বাজারে চরম হতাশার দিন শেষ! কবে থেকে ঘুরতে পারে শেয়ারবাজার, আশার বার্তা বিশেষজ্ঞদের

জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে আফরিন, যাদবপুরের ছাত্রীর উপর ভরসা সিপিএমের

জ্ঞানেশের মোকাবিলায় রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টাতে এবার তরুণ প্রজন্মের উপরেই বড় বাজি ধরতে চাইছে সিপিএম। আর সেই কারণেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আফরিনকে প্রার্থী করার ভাবনা ঘিরে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে বাম শিবিরে। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় আফরিন ক্যাম্পাসের নানা ইস্যুতে সামনের সারিতে থেকে আন্দোলন সংগঠিত করেছেন এবং ধারালো বক্তব্য ও সংগঠনের প্রতি আনুগত্যের জন্য দ্রুতই নেতৃত্বের নজরে আসেন, বিশেষ করে জ্ঞানেশ ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাঁর সরাসরি অবস্থান এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে প্রভাব তৈরি করার ক্ষমতাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছে আলিমুদ্দিন। ফলে তাঁকে সামনে এনে একদিকে যেমন তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তেমনই সংগঠনের ভিতরে নতুন উদ্যম আনার লক্ষ্যও স্পষ্ট, সিপিএমের অন্দরে মনে করা হচ্ছে দীর্ঘদিনের প্রচলিত মুখের বাইরে গিয়ে নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দিলে ভোটের লড়াইয়ে আলাদা বার্তা দেওয়া সম্ভব হবে এবং সেই বার্তাই পৌঁছে দিতে চাইছে দল।
Pressman
19 March, 2026
অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল প্রার্থী বাছাই নয়, বরং কৌশলগত বদলের ইঙ্গিতও বহন করছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্র ও যুব সমাজের মধ্যে নিজেদের ভিত্তি মজবুত করতে মরিয়া সিপিএম, তাই যাদবপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাঙ্গন থেকে উঠে আসা একটি মুখকে সামনে আনা সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ হতে পারে। যদিও বিরোধী শিবির ইতিমধ্যেই কটাক্ষ করতে শুরু করেছে। তাদের দাবি অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার অভাব থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র প্রচারের আলো কেড়ে নিতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে বাম নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মকে জায়গা করে দেওয়াই এখন সময়ের দাবি এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দল নিজেদের কৌশল বদলাচ্ছে।
এদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ইতিমধ্যেই এই খবর ঘিরে চর্চা তুঙ্গে, সহপাঠীদের একাংশের মতে আফরিন বরাবরই স্পষ্টভাষী এবং প্রতিবাদী মনোভাবের জন্য পরিচিত, ফলে বৃহত্তর রাজনৈতিক মঞ্চেও তিনি একইভাবে সরব ভূমিকা নিতে পারেন, আবার অনেকে মনে করছেন ছাত্র রাজনীতি থেকে সরাসরি মূলধারার নির্বাচনী রাজনীতিতে পা রাখা সহজ নয়, সেখানে সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
সব মিলিয়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই আফরিনকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই জল্পনা সিপিএমের নির্বাচনী কৌশল নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, এখন নজর একটাই—দল শেষ পর্যন্ত এই তরুণ মুখের উপর ভরসা রাখে কিনা এবং জ্ঞানেশের মতো অভিজ্ঞ প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে এই নতুন সমীকরণ ভোটের বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেই উত্তরের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।
Follow Us ই-পেপার