ভিডিওতে দেখা যায়, পরিবারের শোকের মধ্যেই শাশুড়ির শেষকৃত্যের নানা মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে। মহুয়া সেই ভিডিও নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করার পরই নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকেই মন্তব্য করেন, এমন ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল মুহূর্তকে প্রকাশ্যে এনে ভিউ বাড়ানোর চেষ্টা করা ঠিক নয়। কেউ কেউ আবার সরাসরি কটাক্ষ করে লিখেছেন, “এত টাকার কাঙাল!”—যা দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, মহুয়ার সমর্থকরাও রয়েছেন। তাঁদের মতে, একজন ভ্লগারের জীবনের প্রতিটি বাস্তব মুহূর্তই তাঁর কনটেন্টের অংশ হতে পারে। জীবনের সুখ-দুঃখ সবই যদি দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়, তবে তা নিয়ে এত সমালোচনার প্রয়োজন নেই বলেও দাবি করেছেন কেউ কেউ।
এই বিতর্কের মাঝেই বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকে বলছেন, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে কিছু নৈতিক সীমারেখা থাকা জরুরি। বিশেষ করে মৃত্যু বা শোকের মতো সংবেদনশীল মুহূর্তকে প্রকাশ্যে আনার আগে ভাবা উচিত।
তবে সমালোচনার ঝড়ের মধ্যেও মহুয়া এখনও প্রকাশ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া দেননি। ফলে বিতর্ক আরও বাড়ছে। অনেকেই এখন অপেক্ষা করছেন, এই ট্রোলিং ও সমালোচনার জবাবে তিনি কী বলেন।
সব মিলিয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট তৈরি করতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবনের কতটা প্রকাশ করা উচিত—এই প্রশ্ন আবারও সামনে নিয়ে এসেছে ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ চ্যানেলের মহুয়ার এই ভ্লগ।