ছবির নির্মাতাদের মতে, এটি শুধুমাত্র একটি থ্রিলার নয়, বরং “ডার্ক কমেডি থ্রিলার” ঘরানার গল্প। অর্থাৎ রহস্যের পাশাপাশি থাকবে তীক্ষ্ণ রসবোধ এবং অপ্রত্যাশিত মোড়। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা সিনেমায় এমন পরীক্ষামূলক ধারার ছবি তৈরি হলেও, এই ছবির বিশেষ আকর্ষণ দুই ভিন্ন প্রজন্মের অভিনেতার যুগলবন্দি।
পরান বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতে তাঁর স্বতন্ত্র অভিনয়ের জন্য জনপ্রিয়। তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি এবং স্বাভাবিক কমেডির ছোঁয়া বহু ছবিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। অন্যদিকে অমৃতা চট্টোপাধ্যায় গত এক দশকে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। সাহিত্যভিত্তিক ও থ্রিলারধর্মী গল্পেও তাঁকে দেখা গেছে একাধিকবার।
নতুন ছবির গল্পে একটি রহস্যজনক ঘটনার সূত্র ধরে এগোবে কাহিনি। একটি সাধারণ পরিস্থিতি ধীরে ধীরে অদ্ভুত ও ভয়ানক মোড় নেবে, আর সেই পথেই তৈরি হবে হাস্যরসাত্মক নানা মুহূর্ত। নির্মাতারা জানিয়েছেন, দর্শক একদিকে যেমন রহস্যের সমাধান খুঁজবেন, তেমনই চরিত্রগুলির অদ্ভুত আচরণে হাসতেও বাধ্য হবেন।
বাংলা সিনেমায় কমেডি ও থ্রিলারের মিশ্রণ খুব বেশি দেখা যায় না। তাই এই নতুন প্রচেষ্টা নিয়ে ইতিমধ্যেই টলিপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে। শুটিং শুরু হওয়ার কথা খুব শিগগিরই, আর সব ঠিক থাকলে আগামী বছরেই ছবিটি মুক্তি পেতে পারে বলে জানা গেছে।
এখন দেখার বিষয়, রহস্য আর হাসির এই অদ্ভুত মেলবন্ধন দর্শকদের কতটা টানতে পারে। তবে পরান বন্দ্যোপাধ্যায় ও অমৃতা চট্টোপাধ্যায়ের জুটি যে বড় চমক হতে চলেছে, তা নিয়ে অনেকেই আশাবাদী।