তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বোস বলেন, জনজীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকা তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাস। প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়েও তিনি সবসময় মানুষের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছেন। ভবিষ্যতেও দেশের উন্নয়ন এবং জনস্বার্থে কাজ করে যেতে চান বলেও জানান তিনি।
এই প্রসঙ্গেই তিনি কেরলের কথা উল্লেখ করেন। বোস বলেন, কেরল তাঁর জন্মভূমি এবং সেই রাজ্যের মানুষের সঙ্গে তাঁর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। তাই আগামী দিনে যদি কোনও নতুন দায়িত্ব আসে, তাহলে সেখানে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি তা সাদরে গ্রহণ করবেন। তাঁর এই বক্তব্য থেকেই অনেকেই মনে করছেন, কেরলের আসন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে তাঁকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কেরলে আগামী দিনে নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়বে। সেই প্রেক্ষাপটে বোসের এই মন্তব্যকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন। যদিও তিনি স্পষ্ট করে কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার কথা বলেননি, তবুও তাঁর বক্তব্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত স্পষ্ট।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ সামনে এসেছিল। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-র সঙ্গে বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে তাঁর মতপার্থক্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা হয়েছিল।
এবার দায়িত্বের শেষ পর্যায়ে এসে কেরলকে ঘিরে তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে। আগামী দিনে তিনি ঠিক কী ভূমিকা নেবেন, তা নিয়ে এখন থেকেই কৌতূহল বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে।