এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন বিজেপি নেত্রী মধুপর্ণা ঠাকুর। তাঁর দাবি, এই সাক্ষাৎ শুধুমাত্র সামাজিক বা ব্যক্তিগত সৌজন্য নয়, এর মধ্যে রাজনৈতিক ইঙ্গিতও থাকতে পারে। মধুপর্ণার এই মন্তব্য সামনে আসতেই নতুন করে দলবদলের জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে এই সাক্ষাৎ বড় ভূমিকা নিতে পারে কি না, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।
যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বৈঠক নিয়ে স্পষ্ট কোনও মন্তব্য করা হয়নি। দলের একাংশ অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের মতে, অনেক সময়ই বিভিন্ন সামাজিক বা ব্যক্তিগত কারণে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে সাক্ষাৎ হয়, সেটিকে রাজনৈতিক রং দেওয়া ঠিক নয়।
অন্যদিকে বিজেপির অন্দরে এই ঘটনাকে ঘিরে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মতুয়া সমাজকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে ঠাকুরবাড়িতে এই বৈঠক স্বাভাবিকভাবেই নজর কেড়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। অনেকেই মনে করছেন, যদি সত্যিই এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক বার্তা থাকে, তবে আগামী দিনে তার প্রভাব পড়তে পারে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে।
সব মিলিয়ে ঠাকুরবাড়িতে শান্তনু ঠাকুর ও মুকুট মণি অধিকারীর এই বৈঠক এখন রাজনৈতিক চর্চার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে। এটি নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও রাজনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত—তা এখনই স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে জল্পনা যে সহজে থামছে না, তা স্পষ্ট। এখন নজর রাজনৈতিক মহলের, পরবর্তী সময়ে এই ঘটনার কোনও নতুন মোড় সামনে আসে কি না।