মুখ্য সমাচার :
সতর্কবার্তা! যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদনপত্রে এই তথ্যগুলি ঠিক আছে তো? নারীর পরিচয় কি শুধু সমাজের দেওয়া নাম? নিরাপত্তার সন্ধানে নারী: শহরের আলো–ছায়ার গল্প ও আলোর পথযাত্রী গাড়ি আটকের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি সার্জেন্ট, পুলিশ মহলে চাঞ্চল্য ও জল্পনা

দালাল হলে অমিত শাহ কেন লুচি খেতে গিয়েছিলেন?’ সৌরভকে ঘিরে বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে বিজেপির একাংশের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সেই বিতর্কের মাঝেই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করলেন। একটি জনসভা থেকে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যাঁকে আজ বিজেপির নেতারা ‘দালাল’ বলে কটাক্ষ করছেন, সেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কেন লুচি খেতে গিয়েছিলেন? অভিষেকের বক্তব্য, বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা অনুযায়ী মানুষের সম্মান-অপমানের মাপকাঠি বদলে ফেলে। যখন প্রয়োজন হয় তখন বাংলার গর্বকে সামনে রেখে প্রচার করা হয়, আর রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালেই তাঁকে অপমান করা হয়। সভামঞ্চ থেকে অভিষেক আরও বলেন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় শুধু একজন প্রাক্তন ক্রিকেটার নন, তিনি বাংলার গর্ব এবং দেশের অন্যতম সফল অধিনায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে এভাবে কুরুচিকর মন্তব্য করা মানে গোটা বাংলার মানুষকে অপমান করা। তিনি দাবি করেন, বিজেপির কিছু নেতা ইচ্ছে করেই বাংলার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বিতর্ক তৈরি করতে চান, যাতে রাজ্যের মানুষের আবেগকে উসকে দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যায়। তবে বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি বুঝতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
Pressman
07 March, 2026

অভিষেকের কথায়, “যদি সত্যিই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় দালাল হন, তাহলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কেন তাঁর বাড়িতে গিয়ে লুচি খেয়েছিলেন? তখন কি তিনি দালাল ছিলেন না? নাকি তখন তাঁকে ব্যবহার করার প্রয়োজন ছিল?” এই প্রশ্ন তুলে বিজেপির দ্বিচারিতা নিয়েই সরাসরি আক্রমণ শানান তৃণমূল নেতা। তিনি আরও বলেন, বিজেপি যখনই বাংলায় রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ে, তখনই তারা এই ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণ শুরু করে।
তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, বাংলার সংস্কৃতি ও সম্মানকে বারবার অপমান করছে বিজেপি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলার মানুষ সব দেখছে এবং সময় এলে তার জবাব দেবে। তাঁর কথায়, “বাংলার গর্বকে অপমান করলে বাংলার মানুষ চুপ করে বসে থাকবে না।” তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি বাংলার মানুষের আবেগকে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই কারণেই বারবার এই ধরনের মন্তব্য করে তারা নিজেদেরই রাজনৈতিক ক্ষতি করছে।
এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকেও পাল্টা বক্তব্য সামনে আসতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা। ফলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও উত্তাপ বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
Follow Us ই-পেপার