তরুণজ্যোতির দাবি, রাজ্যের বহু কেন্দ্রে দেখা যাচ্ছে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের সরাসরি লড়াই হলেও সিপিএম ও কংগ্রেস আলাদা প্রার্থী দেওয়ায় বিরোধী ভোট ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে তৃণমূল তুলনামূলক কম ভোট পেয়েও জয়ী হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, “যেখানে বিরোধী ভোট একত্রিত হতে পারত, সেখানে তিন বা চার ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়ায় তৃণমূল সুবিধা পাচ্ছে।”
তিনি উদাহরণ হিসেবে সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের কথাও উল্লেখ করেন। সেই নির্বাচনে তৃণমূল প্রায় ৪৫.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ৪২টির মধ্যে ২৯টি আসন জেতে, অন্যদিকে বিজেপি পায় প্রায় ৩৮.৭৩ শতাংশ ভোট। কংগ্রেস পায় প্রায় ৪.৬৮ শতাংশ এবং সিপিএম প্রায় ৫.৬৭ শতাংশ ভোট। বিজেপির দাবি, এই দুই দলের ভোট একত্র হলে একাধিক কেন্দ্রে ফল ভিন্ন হতে পারত।
তরুণজ্যোতি বলেন, “রাজ্যে তৃণমূলকে হারাতে হলে বিরোধী শক্তির প্রকৃত ঐক্য দরকার। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সিপিএম ও কংগ্রেস আলাদা পথে হাঁটছে, যার ফলে তৃণমূলেরই সুবিধা হচ্ছে।” তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছেন, কিন্তু বিরোধী ভোট বিভক্ত থাকায় সেই পরিবর্তন বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বিজেপি নেতার মতে, আগামী নির্বাচনে যদি বিরোধী ভোট একদিকে আসে, তাহলে রাজনৈতিক সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে। তিনি দাবি করেন, “ভোটের অঙ্ক বলছে—বিরোধী ভোট এক হলে তৃণমূলের পক্ষে জেতা কঠিন হবে।”
এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূলের তরফে অবশ্য পাল্টা দাবি করা হয়েছে, মানুষের সমর্থনেই তারা বারবার নির্বাচনে জয়ী হচ্ছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।