জুম্মার নামাজের পর বিস্ফোরণে ইরান শোকস্তব্ধ, প্রয়াত Ayatollah Ali Khamenei
জুম্মার নামাজ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটে গেল এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আল খামেইনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মসজিদ প্রাঙ্গণে হঠাৎ প্রবল শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচাতে পারেননি।
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, বিস্ফোরণের উৎস নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে পরিকল্পিত হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কীভাবে নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার পরপরই রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা।
দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শোকবার্তা প্রচার করা হচ্ছে, কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে একাধিক সরকারি ভবনে। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলে শোকপ্রকাশের ঢল নেমেছে। সমর্থকদের মতে, খামেইনি শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন দেশের আদর্শিক পথপ্রদর্শকও। তাঁর দীর্ঘ নেতৃত্বে ইরান বহু আন্তর্জাতিক টানাপোড়েনের মুখোমুখি হয়েছে এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করেছে।
আন্তর্জাতিক মহলেও এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া তীব্র। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এর প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিভিন্ন দেশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ইরানে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
এক অভিজ্ঞ রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান ঘটল এই ঘটনার মধ্য দিয়ে। এখন নজর উত্তরসূরি নির্বাচনের দিকে এবং দেশ কোন পথে এগোবে, সেটাই হয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন। ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নতুন মোড় নিতে চলেছে বলেই মনে করছেন