মুখ্য সমাচার :
সতর্কবার্তা! যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদনপত্রে এই তথ্যগুলি ঠিক আছে তো? নারীর পরিচয় কি শুধু সমাজের দেওয়া নাম? নিরাপত্তার সন্ধানে নারী: শহরের আলো–ছায়ার গল্প ও আলোর পথযাত্রী গাড়ি আটকের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি সার্জেন্ট, পুলিশ মহলে চাঞ্চল্য ও জল্পনা

শনির অবস্থান বদলাচ্ছে, ১৩ মার্চের পর সাড়ে সাতির প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে পারেন বহু রাশির জাতক-জাতিকা

জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি গ্রহকে কর্মফলের বিচারক হিসেবে ধরা হয়। মানুষের জীবনে সুখ-দুঃখ, সাফল্য-ব্যর্থতার উপর শনির প্রভাব গভীর বলে মনে করা হয়। সেই কারণেই শনি যখন কোনও রাশির উপর সাড়ে সাতির প্রভাব বিস্তার করে, তখন অনেকেই জীবনের কঠিন সময়ের মুখোমুখি হন। তবে এবার আসছে স্বস্তির খবর। জ্যোতিষীদের মতে, আগামী ১৩ মার্চের পর শনির অবস্থান পরিবর্তনের ফলে বহু মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব রাশি দীর্ঘদিন ধরে সাড়ে সাতির প্রভাবে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই সময়ের পর ধীরে ধীরে সেই প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে পারেন। সাড়ে সাতি বলতে মূলত সেই সময়কে বোঝানো হয় যখন শনি কোনও রাশির আগে, উপর এবং পরের রাশিতে অবস্থান করে। এই সময়ের মোট মেয়াদ প্রায় সাড়ে সাত বছর হওয়ায় একে ‘সাড়ে সাতি’ বলা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী এই সময়ে জীবনে নানা ধরনের বাধা, মানসিক অস্থিরতা, কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, আর্থিক টানাপোড়েন কিংবা সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে। অনেকেই মনে করেন, এই সময়ে মানুষকে ধৈর্য, পরিশ্রম এবং সততার পরীক্ষা দিতে হয়। তবে এই কঠিন সময় শেষ হলে জীবনে নতুন সুযোগ এবং ইতিবাচক পরিবর্তনও আসে।
Pressman
06 March, 2026
বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৩ মার্চের পর শনির গতিপথে পরিবর্তন ঘটতে চলেছে, যার ফলে কিছু রাশির জাতক-জাতিকারা সাড়ে সাতির কঠিন প্রভাব থেকে ধীরে ধীরে মুক্তি পেতে পারেন। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজের গতি বাড়তে পারে, কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে এবং আর্থিক পরিস্থিতিতেও ধীরে ধীরে উন্নতি দেখা যেতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে নতুন চাকরির সুযোগ, ব্যবসায় সাফল্য বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনুকূল সময়ও তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন জ্যোতিষীরা।
শুধু কর্মজীবনই নয়, পারিবারিক জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ কমে সম্পর্কের টানাপোড়েন অনেকটাই মিটে যেতে পারে। পরিবারে শান্তি ও স্থিতি ফিরতে পারে এবং ব্যক্তিগত জীবনে নতুন আশার আলো দেখা দিতে পারে। যারা এতদিন নানা বাধার কারণে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছিলেন না, তাঁদের জন্যও এই সময় নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে আসতে পারে।
তবে জ্যোতিষীরা এটাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে গ্রহের পরিবর্তন জীবনে সম্ভাবনা তৈরি করলেও ব্যক্তিগত পরিশ্রম, ধৈর্য এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তাই এই সময়ে নতুন পরিকল্পনা শুরু করা, আর্থিক বিষয়ে সচেতন থাকা এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ শনির প্রভাব কমে এলেও জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের প্রচেষ্টা সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ১৩ মার্চের পরের সময়টা অনেকের জন্যই নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসতে পারে। যারা এতদিন সাড়ে সাতির প্রভাবে নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের কাছে এই পরিবর্তন হতে পারে নতুন শুরু করার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। জীবনের কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে এবার অনেকেই হয়তো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবেন এবং ভবিষ্যতের দিকে নতুন আশায় তাকিয়ে থাকতে পারবেন।
Follow Us ই-পেপার