বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৩ মার্চের পর শনির গতিপথে পরিবর্তন ঘটতে চলেছে, যার ফলে কিছু রাশির জাতক-জাতিকারা সাড়ে সাতির কঠিন প্রভাব থেকে ধীরে ধীরে মুক্তি পেতে পারেন। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজের গতি বাড়তে পারে, কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে এবং আর্থিক পরিস্থিতিতেও ধীরে ধীরে উন্নতি দেখা যেতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে নতুন চাকরির সুযোগ, ব্যবসায় সাফল্য বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনুকূল সময়ও তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন জ্যোতিষীরা।
শুধু কর্মজীবনই নয়, পারিবারিক জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ কমে সম্পর্কের টানাপোড়েন অনেকটাই মিটে যেতে পারে। পরিবারে শান্তি ও স্থিতি ফিরতে পারে এবং ব্যক্তিগত জীবনে নতুন আশার আলো দেখা দিতে পারে। যারা এতদিন নানা বাধার কারণে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছিলেন না, তাঁদের জন্যও এই সময় নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে আসতে পারে।
তবে জ্যোতিষীরা এটাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে গ্রহের পরিবর্তন জীবনে সম্ভাবনা তৈরি করলেও ব্যক্তিগত পরিশ্রম, ধৈর্য এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তাই এই সময়ে নতুন পরিকল্পনা শুরু করা, আর্থিক বিষয়ে সচেতন থাকা এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ শনির প্রভাব কমে এলেও জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের প্রচেষ্টা সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ১৩ মার্চের পরের সময়টা অনেকের জন্যই নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসতে পারে। যারা এতদিন সাড়ে সাতির প্রভাবে নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের কাছে এই পরিবর্তন হতে পারে নতুন শুরু করার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। জীবনের কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে এবার অনেকেই হয়তো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবেন এবং ভবিষ্যতের দিকে নতুন আশায় তাকিয়ে থাকতে পারবেন।