পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন বাড়িতেই ছিলেন ওই তরুণী। পরিবারের সদস্যরা অন্য ঘরে থাকাকালীন তিনি চরম সিদ্ধান্ত নেন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
পরিবারের অভিযোগ, কয়েকদিন আগে এক জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে পরামর্শ নিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই দাম্পত্য ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়। সেই কথাই গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল তাঁকে। কাছের মানুষদের সঙ্গে কথাবার্তায়ও নাকি সেই আশঙ্কার ছাপ মিলেছিল।
মনোবিদদের মতে, ভবিষ্যদ্বাণী বা অশুভ ইঙ্গিত সংবেদনশীল মানুষের মনে তীব্র প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যদি ব্যক্তি আগে থেকেই মানসিক চাপে থাকেন, তা হলে এমন মন্তব্য উদ্বেগ, হতাশা বা অবসাদ বাড়িয়ে দিতে পারে।
পুলিশ খতিয়ে দেখছে, ওই জ্যোতিষীর ভূমিকা কতটা ছিল এবং কোনওভাবে মানসিক প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল কি না। পাশাপাশি পরিবারের তরফে অনুরোধ, গুজব বা অন্ধবিশ্বাসে ভরসা না করে সমস্যার সময়ে চিকিৎসক বা পরামর্শদাতার সাহায্য নেওয়া উচিত।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সমাজের একাংশের মতে, অন্ধবিশ্বাসের বদলে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।
যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ মানসিক চাপে থাকেন, তবে অবিলম্বে পেশাদার সহায়তা নিন। সময়মতো কথা বলা অনেক বড় বিপদ এড়াতে পারে।