মুখ্য সমাচার :
খোলার ঘণ্টাতেই রক্তক্ষয়ী ধস, ২০০০ পয়েন্ট ভেঙে পড়ল সেনসেক্স—আতঙ্কে কাঁপছে গোটা শেয়ারবাজার, লালে ঢাকল সব সূচক নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের আবেগঘন বিদায়, ‘সকলকে ক্ষমা করো’ ভিডিও ভাইরাল ছোট বিনিয়োগে বড় লাভ, মাসে ১,০০০ টাকার SIP-এ ১০ বছরে কত টাকা পাবেন? পূর্ব দিকের সূর্যালোকেই বাড়িতে আসে শুভ শক্তি, বলছে বাস্তুশাস্ত্র বাজারে চরম হতাশার দিন শেষ! কবে থেকে ঘুরতে পারে শেয়ারবাজার, আশার বার্তা বিশেষজ্ঞদের

ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ, বাংলার ১৫ আইপিএস অফিসারকে সরাল নির্বাচন কমিশন

ভোটের মুখে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন, বাংলার ১৫ জন আইপিএস অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে নবান্নের পুনর্বহাল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কার্যত খারিজ করে দিল কমিশন, সূত্রের খবর নির্বাচনী বিধি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা এবং বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ধারাবাহিকভাবে রিপোর্ট খতিয়ে দেখছিল কমিশন, সেই পর্যালোচনার পরই এই বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাঁদের সরানো হয়েছে তাঁদের মধ্যে একাধিক জেলায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপার ও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিকরাও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে, কমিশনের মতে একই জায়গায় দীর্ঘদিন থাকা বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠলে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে, তাই আগেভাগেই এমন পদক্ষেপ জরুরি ছিল, যদিও রাজ্য প্রশাসনের তরফে কয়েকজন অফিসারকে পুনর্বহাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কমিশন সেই প্রস্তাব মানতে নারাজ হয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে
Pressman
19 March, 2026
নির্বাচন চলাকালীন সমস্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব তাদের হাতেই থাকবে, ফলে পুনর্বহালের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে, শাসক দলের অভিযোগ কমিশন একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশাসনের কাজে হস্তক্ষেপ করছে, অন্যদিকে বিরোধীরা বলছে দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ এবং এর ফলে ভোট আরও অবাধ ও সুষ্ঠু হবে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ভোটের আগে এমন বড়সড় পুলিশি রদবদল রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং এর প্রভাব পড়তে পারে নির্বাচনী কৌশল ও মাটির লড়াইয়েও, কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে আগামী দিনেও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজন হলে আরও কিছু অফিসারের বিরুদ্ধে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন, সংবেদনশীল বুথ চিহ্নিতকরণ এবং নজরদারি বাড়ানোর মতো একাধিক পরিকল্পনাও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, সব মিলিয়ে ভোটের আগে প্রশাসনিক স্তরে কড়া বার্তা দিতে চায় নির্বাচন কমিশন, যাতে কোনওভাবেই নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে।
Follow Us ই-পেপার