সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শহিদ আফ্রিদি স্পষ্টভাবেই বোর্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, শুধুমাত্র সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং পারফরম্যান্স ও নেতৃত্বের গুণাবলির ভিত্তিতেই অধিনায়ক নির্বাচন হওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তানের মতো বড় দলের নেতৃত্ব দেওয়া একটি বড় দায়িত্ব, যেখানে অভিজ্ঞতা ও স্থিরতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদিও তিনি সরাসরি নিজের জামাই শাহিন আফ্রিদির যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি, তবে তাঁর বক্তব্যে বোঝা গিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের পিছনে বোর্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দলে অনেক সিনিয়র ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার থাকা সত্ত্বেও কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা বোঝা কঠিন।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই মন্তব্য নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। তবে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, শাহিন আফ্রিদি একজন প্রতিভাবান বোলার হলেও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তাঁকে এখনও অনেক কিছু প্রমাণ করতে হবে।
এই বিতর্কের ফলে দলের অন্দরমহলেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বড় টুর্নামেন্টের আগে এই ধরনের মন্তব্য দলের মনোবলে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে বোর্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
সব মিলিয়ে, শাহিন আফ্রিদির অধিনায়কত্ব নিয়ে শুরু হওয়া এই বিতর্ক পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন চাপ তৈরি করেছে। এখন দেখার, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে এই বিতর্ক কতটা থামাতে পারেন তিনি এবং বোর্ড কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়।