মুখ্য সমাচার :
সতর্কবার্তা! যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদনপত্রে এই তথ্যগুলি ঠিক আছে তো? নারীর পরিচয় কি শুধু সমাজের দেওয়া নাম? নিরাপত্তার সন্ধানে নারী: শহরের আলো–ছায়ার গল্প ও আলোর পথযাত্রী গাড়ি আটকের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি সার্জেন্ট, পুলিশ মহলে চাঞ্চল্য ও জল্পনা

নাসার রকেট আঘাতে বদলাল গ্রহাণুর কক্ষপথ

মহাকাশ বিজ্ঞানে রচিত হলো ইতিহাস । ২০২২ সালে নাসার ডার্ট (ডবল অ্যাসটেরয়েড রিডিরেকশন টেস্ট) মিশনে ডিডিমস-ডিমরফস গ্রহাণুদ্বয়ের ছোট অংশ ডিমরফসকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা হয়।
Pressman
09 March, 2026
 লক্ষ্য ছিল পরীক্ষা করা, কীভাবে বাইরে থেকে সংঘর্ষ ঘটালে গ্রহাণুর কক্ষপথ পরিবর্তিত হয়। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন, কক্ষপথের সঙ্গে কাক্ষিক সময়ও পরিবর্তিত হয়েছে। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল সাত মিনিটের তারতম্য হবে, কিন্তু পরিমাপ দেখিয়েছে ৩৩ মিনিট বৃদ্ধি হয়েছে।
ডিডিমস প্রায় ৭৮০ মিটার চওড়া এবং এর চারপাশে ডিমরফস ১৬০ মিটার চওড়ায় নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে। দুটি গ্রহাণু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। পরীক্ষার জন্য ছোট গ্রহাণুটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। সংঘর্ষের ফলে ডিমরফসের ধ্বংসাবশেষ মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ে, কক্ষপথও বদলে যায়।
নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই অভিযান পৃথিবীর রক্ষামূলক প্রযুক্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সৌরজগতে অসংখ্য গ্রহাণু, ধূমকেতু এবং অজানা মহাজাগতিক বস্তু ভাসমান। ভবিষ্যতে যদি কোনো বৃহৎ গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে আসে, ডার্টের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার কক্ষপথ পরিবর্তন সম্ভব হতে পারে।
চলতি দশকের শেষে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা হেরা মিশন পাঠাবে। এতে ডিমরফসে সংঘর্ষের ফলে তৈরি গর্ত এবং অন্যান্য প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই তথ্য ভবিষ্যতে মহাজাগতিক বিপদ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এটি কেবল শুরু; আরও শক্তিশালী প্রযুক্তি তৈরি করে বৃহৎ গ্রহাণুর ধাক্কা মোকাবিলা করা হবে।
Follow Us ই-পেপার