স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতোই সকালে ওই রাস্তায় পথচলতি মানুষজনের যাতায়াত শুরু হয়। সেই সময় কয়েকজনের নজরে আসে ট্রাফিক পুলিশের ফাঁকা বুথের ভিতরে এক ব্যক্তি অস্বাভাবিকভাবে পড়ে রয়েছেন। দূর থেকে দেখে প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো তিনি অসুস্থ হয়ে বসে আছেন। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি আর সাড়া দিচ্ছেন না। তখনই বিষয়টি দ্রুত স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং খবর দেওয়া হয় ধূপগুড়ি থানার পুলিশকে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ। এরপর বুথের ভিতর থেকে ওই ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি। তাঁর কাছে তেমন কোনও পরিচয়পত্রও মেলেনি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ফলে তিনি কে, কোথা থেকে এসেছিলেন এবং কীভাবে ট্রাফিক পুলিশের বুথের ভিতরে পৌঁছলেন—এই সমস্ত প্রশ্ন ঘিরেই তৈরি হয়েছে রহস্য।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, অসুস্থতার কারণেও ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনাটিকে সম্পূর্ণভাবে রহস্যমৃত্যু হিসেবেই দেখা হচ্ছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ।
ঘটনার পর থেকেই ধূপগুড়ি শহর জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর অনেকেই দাবি করেছেন, ভোরবেলা পর্যন্ত ওই বুথের আশেপাশে কোনও অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়েনি। হঠাৎ করেই ট্রাফিক পুলিশের বুথে মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।