এই মামলায় রাজ্যের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন H. K. Dwivedi, যিনি বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, এবং Chandni Chowdhury, রাজ্যের অর্থসচিব। আদালত তাঁদের উদ্দেশে জানিয়েছে, ৬ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত নির্দেশ কার্যকর করার বিষয়ে স্পষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।
সরকারি কর্মীদের একাংশ দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিএ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। এই দাবি নিয়ে বিভিন্ন কর্মী সংগঠন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতেই আদালত আগেই রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে।
তবে অভিযোগ, এতদিনেও সেই নির্দেশ কার্যকর করার বিষয়ে কোনও স্পষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়নি। সেই কারণেই আদালত এবার কড়া মনোভাব দেখিয়েছে। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশ মানা বাধ্যতামূলক এবং তা উপেক্ষা করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে এই নির্দেশ সামনে আসতেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আদালতের এই কড়া অবস্থানের ফলে বকেয়া ডিএ ইস্যুতে দ্রুত সমাধান মিলতে পারে।
অন্যদিকে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আর্থিক দিক থেকেও বড় সিদ্ধান্ত। তাই আদালতের নির্দেশ মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
এখন সকলের নজর ৬ মার্চের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেটাই নির্ধারণ করবে এই বহুচর্চিত ডিএ বিতর্কের পরবর্তী পথ।