চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি আক্রমণ করলেন রেলমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, জমি জট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। সময়মতো প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহযোগিতা না পাওয়ায় কাজের গতি থমকে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
রেলমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনস্বার্থে নেওয়া একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্যোগী হলেও রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও জমি অধিগ্রহণ ও সমন্বয়ের সমস্যা সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে যাত্রীসুবিধা ও নগর পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন বিলম্বিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মেট্রো সম্প্রসারণ শুধু যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ করবে না, বরং শহরের অর্থনৈতিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকলে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত সমস্যা সমাধান করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে, রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে পাল্টা বক্তব্য দেওয়া হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মতপার্থক্য নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা, রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে গিয়ে প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত হলে জনসাধারণ উপকৃত হবে এবং শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।