৬১-এও একই উচ্ছ্বাস, ভক্তদের মাঝেই জন্মদিন উদযাপন করলেন আমির খান
বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট নামে পরিচিত Aamir Khan আবারও প্রমাণ করলেন যে জনপ্রিয়তার শিখরে থেকেও ভক্তদের প্রতি তাঁর টান কতটা গভীর। নিজের ৬১তম জন্মদিনে অন্য অনেক তারকার মতো বিলাসবহুল পার্টি বা বড় আয়োজনের বদলে বরাবরের মতোই ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটাতেই বেশি গুরুত্ব দিলেন তিনি। জন্মদিনের সকালে মুম্বইয়ের বাড়ির বাইরে বহু অনুরাগী জড়ো হয়েছিলেন প্রিয় অভিনেতার এক ঝলক দেখার আশায়। সেই ভালোবাসার জবাব দিতেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে সকলকে শুভেচ্ছা জানান আমির। হাসিমুখে হাত নেড়ে অভিবাদন জানানোর পাশাপাশি অনেক ভক্তের সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায় তাঁকে।
জন্মদিনের এই মুহূর্তগুলো দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে। অনুরাগীরা অভিনেতার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের নানা স্মরণীয় মুহূর্ত শেয়ার করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। কেউ লিখেছেন তাঁর অভিনয় অনুপ্রেরণা জোগায়, আবার কেউ বলেছেন তাঁর ছবিগুলো শুধু বিনোদনই নয়, সমাজের নানা বিষয় নিয়েও ভাবতে শেখায়। এই বিপুল ভালোবাসা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে আমিরও ভক্তদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, দর্শকদের সমর্থনই তাঁকে বারবার নতুন কিছু করার সাহস দেয়।
শুধু ভক্তদের সঙ্গে দেখা করাই নয়, পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেশুধুর নিয়েও দিনটি বিশেষভাবে কাটিয়েছেন অভিনেতা। জানা গেছে, সন্ধ্যায় একটি ছোট ঘরোয়া আয়োজন ছিল যেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর কাছের মানুষরা। সেখানে কেক কাটা থেকে শুরু করে নানা স্মৃতিচারণ—সব মিলিয়ে ছিল এক উষ্ণ পারিবারিক পরিবেশ। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে বহু ব্লকবাস্টার ছবির মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করা এই অভিনেতা জন্মদিনের দিনেও কাজের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাননি। বরং নতুন প্রজেক্ট নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও সামনে এসেছে।
বলিউডে বরাবরই নিজের কাজের প্রতি নিখুঁত মনোভাবের জন্য পরিচিত আমির। তাই তাঁর প্রতিটি নতুন ছবিকে ঘিরেই দর্শকদের আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। বর্তমানে তিনি কয়েকটি নতুন সিনেমা এবং প্রযোজনার পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ত বলে জানা গেছে। জন্মদিনের দিনেই সেই সব কাজ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলেও খবর। ফলে ভক্তদের মধ্যে এখন থেকেই শুরু হয়েছে নতুন ছবির অপেক্ষা।
সব মিলিয়ে ঝাঁকজমকপূর্ণ পার্টির বদলে ভক্তদের ভালোবাসা, পরিবারের উষ্ণতা এবং ভবিষ্যতের কাজের পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই নিজের ৬১তম জন্মদিন কাটালেন Aamir Khan। আর সেই সাধারণ অথচ আবেগঘন উদযাপনই আবারও প্রমাণ করে দিল—তারকা হয়েও মানুষের কাছাকাছি থাকাটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়।