স্টারকাস্টও এই ছবির অন্যতম শক্তি। জনপ্রিয় মুখদের উপস্থিতি যেমন দর্শকদের টানছে, তেমনই তাদের পারফরম্যান্স নিয়েও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। ট্রেলারে যে ঝলক দেখা গেছে, তাতে অ্যাকশন, ইমোশন, ড্রামা—সবকিছুরই মিশেল রয়েছে, যা একটি পূর্ণাঙ্গ কমার্শিয়াল এন্টারটেইনার হিসেবে ছবিটিকে এগিয়ে রাখছে।
এখন বড় প্রশ্ন—ছবিটি কি সত্যিই ২০০০ কোটির ক্লাবে ঢুকতে পারবে? ট্রেড অ্যানালিস্টদের একাংশ বেশ আশাবাদী। তাদের মতে, যদি ছবিটি প্রথম সপ্তাহেই শক্তিশালী ওপেনিং করতে পারে এবং মুখে মুখে প্রচার ইতিবাচক হয়, তাহলে ১০০০ কোটির গণ্ডি পেরোনো কঠিন হবে না। আর আন্তর্জাতিক বাজারে যদি একইভাবে সাড়া মেলে, তাহলে ২০০০ কোটির স্বপ্নও অসম্ভব নয়।
তবে সতর্কবার্তাও রয়েছে। অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন, অতীতে বড় বাজেট ও হাইপ থাকা সত্ত্বেও একাধিক ছবি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত গল্প, চিত্রনাট্য এবং অভিনয়—এই তিনটি দিকই নির্ধারণ করবে ছবির ভবিষ্যৎ। দর্শক যদি ছবির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারেন, তবেই এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়া সম্ভব।
সব মিলিয়ে, মুক্তির আগেই ‘ধুরন্ধর ২’ এখন বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত প্রজেক্টগুলির একটি। প্রত্যাশা আকাশছোঁয়া, আর সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারলে বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস গড়তে পারে এই ছবি।