মুখ্য সমাচার :
সতর্কবার্তা! যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদনপত্রে এই তথ্যগুলি ঠিক আছে তো? নারীর পরিচয় কি শুধু সমাজের দেওয়া নাম? নিরাপত্তার সন্ধানে নারী: শহরের আলো–ছায়ার গল্প ও আলোর পথযাত্রী গাড়ি আটকের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলি সার্জেন্ট, পুলিশ মহলে চাঞ্চল্য ও জল্পনা

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আত্মঘাতী ড্রোন ‘শেষনাগ ১৫০’, প্রতিরক্ষা শক্তিতে নতুন বার্তা ভারতের

ভারতের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে আরও এক বড় সংযোজন ঘটল। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আত্মঘাতী ড্রোন ‘শেষনাগ ১৫০’ সফলভাবে প্রস্তুত হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মহলে জানা গিয়েছে। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে যেখানে ড্রোনই হয়ে উঠছে মূল অস্ত্র, সেখানে এই নতুন সংযোজনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
Pressman
04 March, 2026


‘শেষনাগ ১৫০’ মূলত একটি লয়টারিং মিউনিশন বা আত্মঘাতী ড্রোন। অর্থাৎ, এটি নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘক্ষণ ভেসে থেকে লক্ষ্য চিহ্নিত করতে পারে এবং প্রয়োজনমতো সরাসরি আঘাত হানতে সক্ষম। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কার্যক্ষমতার কথা জানা গিয়েছে। উচ্চ-নির্ভুলতা সম্পন্ন জিপিএস ও ইলেকট্রো-অপটিক্যাল সিস্টেমের মাধ্যমে এটি শত্রুপক্ষের ঘাঁটি, যানবাহন বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোনের সবচেয়ে বড় শক্তি হল এর স্বল্প খরচে উচ্চ কার্যকারিতা। প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার তুলনায় এটি অনেক কম ব্যয়ে মোতায়েন করা সম্ভব। পাশাপাশি, রাডারে ধরা পড়া কঠিন হওয়ায় এটি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। পাহাড়ি বা দুর্গম এলাকায়ও সহজে ব্যবহারযোগ্য বলেই দাবি করা হচ্ছে।
বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে উত্তেজনার আবহে, ‘শেষনাগ ১৫০’-এর মতো প্রযুক্তি ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। দেশীয় উৎপাদনের উপর জোর দিয়ে আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্য পূরণেও এই সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ‘শেষনাগ ১৫০’ শুধু একটি নতুন ড্রোন নয়, বরং আধুনিক যুদ্ধনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতীক হিসেবেই উঠে আসছে।
Follow Us ই-পেপার