চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রথমেই গুরুত্ব দিতে হবে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু টিকায়। প্রতিবছর এই টিকা নেওয়া উচিত, বিশেষ করে যাঁদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ রয়েছে। ফ্লু থেকে নিউমোনিয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা হতে পারে, তাই আগে থেকেই সুরক্ষা প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস ও রক্তে সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৫০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এক বা একাধিক ডোজ নেওয়া যেতে পারে।
এছাড়া শিংলস বা হারপিস জস্টার প্রতিরোধে শিংলস টিকাও নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বয়স বাড়লে এই ভাইরাস সক্রিয় হয়ে তীব্র স্নায়বিক ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে। একবার আক্রান্ত হলে দীর্ঘমেয়াদি কষ্ট ভোগ করতে হয়।
টিটেনাস, ডিফথেরিয়া ও পার্টুসিস প্রতিরোধে টিড্যাপ বুস্টারও গুরুত্বপূর্ণ, যদি গত ১০ বছরে না নেওয়া হয়ে থাকে। পাশাপাশি কোভিড-১৯ টিকার বুস্টার ডোজ আপডেট আছে কি না, তাও দেখে নেওয়া উচিত।
চিকিৎসকদের বক্তব্য, যাঁদের আগে থেকে কিডনি, লিভার বা ফুসফুসের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে টিকা নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা প্রয়োজন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সঠিক সময়ে টিকাকরণই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি হতে পারে।